ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে বঙ্গবন্ধু লেখক-সাংবাদিক ফোরাম ইউকে। ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর বঙ্গবন্ধু জাদুঘর ভেঙে ফেলা এবং মুক্তিযুদ্ধসহ দেশের ঐতিহাসিক দলিলপত্র আগুনে পুড়িয়ে দেয়া, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, সাংবাদিক ও ধর্মনিরপেক্ষতায় বিশ্বাসীদের টার্গেট করে দেশব্যাপী বাড়িঘর-ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা এবং হাজার হাজার নিরীহ মানুষকে আসামি করে মামলা, অপারেশন ডেভিল হ্যান্ট নামে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসীদের আটকের নিন্দা জানিয়ে এ স্মারকলিপি দেয় সংগঠনটি।
গত শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিটে এ স্মারকলিপিটি প্রদান করেন সংগঠনের সভাপতি আবুল কাদির চৌধুরী মুরাদ, সাধারণ সম্পাদক শাহ মোস্তাফিজুর রহমান বেলাল, সিকদার মোহাম্মদ কিটন , ইয়াসমীন সুলতানা পলিন ও তাহেরা জিনিয়া। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে স্মারকলিপিটি গ্রহণ করেন ডাউনিংস্ট্রিটের একজন কর্মকর্তা।
স্মারকলিপিতে ব্রিটিশ সরকারে হস্তক্ষেপ কামনা করে বলা হয় ধ্বংসের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ ও বাঙালির ইতিহাস মুছে ফেলতেই ষড়যন্ত্র করে পুরো স্থাপনাটিই ভেঙে ফেলা হয়েছে। সেই সাথে গণমানুষের কণ্ঠরোধে সাংবাদিকদের উপর মিথ্যা মামলা দিয়ে কারাগারে বন্দী রাখা হয়েছে। স্মারক লিপিতে উল্লেখ করা হয় সরকারের মদদপুষ্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতারা ঘোষণা দিয়ে এই হামলা চালায়। তাদের সঙ্গে দেশব্যাপী এ হামলায় অংশ নেয় উগ্রবাদীরা।
দেশব্যাপী টার্গেট করে হামলা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ অন্তর্বর্তী সরকার নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ সহিংসতাকে ‘অস্বাভাবিক’ বলে অভিহিত করেছে এবং এসব হামলা প্রতিরোধে সরকারের ব্যর্থতার সমালোচনা করেছে।