নির্বাচনে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

: যথাসময় ডেস্ক
প্রকাশ: ৩ ঘন্টা আগে

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচনে জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরের সহায়তা চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) জাতিসংঘের মানবাধিকার-বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার টুর্কের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে এ সহায়তা চান তিনি। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।

জাতিসংঘের মানবাধিকার-বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার টুর্ক জানান, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত এবং এ ক্রমবর্ধমান বিভ্রান্তিমূলক তথ্যের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরের পক্ষ থেকে সহায়তা দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, ভুল তথ্যের পরিমাণ অনেক বেশি। এখন যা যা প্রয়োজন, আমরা তা করবো। এ বিষয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে।

টেলিফোন আলাপে দুই নেতা আসন্ন গণভোট, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের গুরুত্ব, গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের কাজ, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (এনএইচআরসি) গঠন এবং বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেন।

ভলকার টুর্ক জোর দিয়ে বলেন, গুম সংক্রান্ত বিষয়গুলো এগিয়ে নিতে একটি বাস্তব অর্থে স্বাধীন জাতীয় মানবাধিকার কমিশন প্রতিষ্ঠা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জবাবে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় অধ্যাদেশ এরই মধ্যে জারি করা হয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগেই নতুন কমিশন পুনর্গঠন করা হবে। আমরা দায়িত্ব ছাড়ার আগেই এটি সম্পন্ন করবো।

ড. ইউনূস জানান, তিনি গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন জাতিসংঘের মানবাধিকার-বিষয়ক হাইকমিশনারের কাছে হস্তান্তর করেছেন। তিনি এটিকে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত স্বৈরশাসনামলে সংঘটিত গুমের শিকার ভুক্তভোগীদের জন্য জবাবদিহি ও বিচার নিশ্চিতের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে উল্লেখ করেন।

জাতিসংঘের মানবাধিকার-বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার টুর্ক গত দেড় বছরে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের উদ্যোগ ও ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি জানান, তার দপ্তর গুম তদন্ত কমিশনের কাজে সহায়তা করেছে এবং ভবিষ্যতেও এই সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

টেলিফোনে আলাপকালে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে এসডিজি সমন্বয়কারী ও সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদ উপস্থিত ছিলেন।

  • জাতিসংঘ
  • নির্বাচন
  • প্রধান উপদেষ্টা
  • সহায়তা
  • #