চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের আলমডাঙ্গায় যুগিরহুদা গ্রামে বিএনপি-জামায়াতের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রোববার বিকেল সাড়ে ৫টায় এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ১৩ জন আহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। খবর পেয়ে ওই গ্রামে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, থানা-পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন।
জামায়াতের অভিযোগ, রোববার দুপুরে জামায়াতের কয়েকজন নারীকর্মী ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাচ্ছিলেন। এ সময় বিএনপির সমর্থকদের বাধার মুখে পড়তে হয় তাদের। একপর্যায়ে নারীদের ওপর হামলাও চালানো হয়।
বিএনপির দাবি, জামায়াতের নারীকর্মীরা সাধারণ ভোটারদের বাড়ি গিয়ে ভোটার আইডি কার্ড ও মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করছিলেন। এমনকি তারা কোরআন শরিফ ছুঁইয়ে শপথ করান। বিষয়টি জানতে পেরে ওই নারীদের কাছে সত্যতা জানতে চাওয়া হয়। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে তারা জামায়াতের পুরুষ কর্মীদের ডেকে নিয়ে অতর্কিত হামলা চালান। বহিরাগত লোকজন এসে লাঠিসোঁটা, ইটপাটকেল নিয়ে দফায় দফায় হামলা চালায়।
আহত নেতাকর্মীদের হাসপাতালে দেখতে গিয়ে ধানের শীষের প্রার্থী শরীফুজ্জামান বলেন, ‘নির্বাচনী প্রচারের প্রথমদিন থেকেই জামায়াতের হিংস্র ও মারমুখী মনোভাব আমরা লক্ষ করেছি। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনী মাঠের শান্ত পরিবেশ পরিকল্পিতভাবে অশান্ত করা হচ্ছে। জামায়াতের অতর্কিত হামলায় নারীসহ বিএনপির আটজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
অপরদিকে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মাসুদ পারভেজ রাসেল বলেন, জামায়াতের নারীকর্মীদের বারবার নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেওয়া হচ্ছে। বিএনপির হামলায় জামায়াতের নারীসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন।
আলমডাঙ্গার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হোসেন আলী জানান, খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়েছে। ওই গ্রামে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিত স্বাভাবিক আছে। এখনো কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি।