নোয়াখালী-২ (সেনবাগ-সোনাইমুড়ী) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী জয়নুল আবদিন ফারুকের গাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে সেনবাগ বাজারে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এর আগে এ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মো. মফিজুর রহমানের গাড়িতে হামলা ও গাড়ি লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনার সময় স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমান ও বিএনপির প্রার্থী জয়নুল আবদিন ফারুকের নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনবাগ বাজারে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। ফলে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। একই সঙ্গে সেনবাগ ও সোনাইমুড়ীর বিভিন্ন বাজারে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ মিছিলের খবর পাওয়া গেছে।
বিএনপির প্রার্থী জয়নুল আবদিন ফারুক অভিযোগ করে বলেন, ধানের শীষ প্রতীকযুক্ত গাড়িতে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে ধানের শীষের প্রচারণার গাড়িতেও হামলা করা হয়েছে এবং নেতাকর্মীদের আহত করা হয়েছে। তিনি দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
অন্যদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমান নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, কেউ কোনো ষড়যন্ত্রে পা দেবেন না এবং কোনো ধরনের সহিংসতায় জড়াবেন না। নির্বাচন বানচাল করার অপচেষ্টা চলছে। আল্লাহর রহমতে আমি সুস্থ আছি। এই হামলার জবাব আপনারা ১২ তারিখ ব্যালট পেপারের মাধ্যমে দেবেন।
এ বিষয়ে সেনবাগ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল বাশার জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন আছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।