ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অন্তত ৩০টি আসনের ফলাফল জালিয়াতির অভিযোগ তুলেছে জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে এসব আসনের ফল স্থগিত রেখে পুনর্গণনা ও নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ স্থগিত রাখার দাবি জানিয়েছে দলটি। শনিবার রাজধানীর মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানিয়েছেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের ও মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল।
আসনগুলোর মধ্যে রয়েছে পঞ্চগড়-১, ঠাকুরগাঁও-২; দিনাজপুর-৩; দিনাজপুর-৫; লালমনিরহাট-১; লালমনিরহাট-২; গাইবান্ধা-৪; বগুড়া-২ ; বগুড়া-৩; সিরাজগঞ্জ-১; যশোর-৩; খুলনা-৩ এবং খুলনা-৫।তালিকায় তিনি আরও উল্লেখ করেন, বরগুনা-১; বরগুনা-২; ঝালকাঠি-১; পিরোজপুর-২; ময়মনসিংহ-৬; ময়মনসিংহ-৮; ময়মনসিংহ-১০ এবং কিশোরগঞ্জ-৩। ঢাকার আসনগুলোর মধ্যে ঢাকা-৬; ঢাকা-৮; ঢাকা-১০; ঢাকা-১৩—যেটি মামুনুল হকের আসন এবং ঢাকা-১৭। এছাড়া গোপালগঞ্জ-২; ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২; চাঁদপুর-৪; চট্টগ্রাম-১৪ এবং কক্সবাজার-৪।
এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা প্রায় ৩০টি আসনে চরম অব্যবস্থাপনা দেখেছি। যেখানে ভোট জালিয়াতি হয়েছে, কারচুপি হয়েছে। ফলাফলের যে সমস্ত কাগজগুলো তাঁরা দিয়েছেন সেখানে ওভার রাইটিং হয়েছে, ঘষামাজা হয়েছে, বিভিন্ন ধরনের অসুবিধা হয়েছে।
দলের আরেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল বলেন, ৩০টি আসনে ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার ভোটের ব্যবধানে নানা রকম অনিয়ম ও সমস্যা হয়েছে, সেগুলোর প্রাথমিক একটি তালিকা আমরা আপনাদের সামনে নিয়ে এসেছি। এগুলোতে স্থানীয় রিটার্নিং অফিসার পর্যায়ে আমাদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং ভোট পুনর্গণনার জন্য আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু এরই মধ্যে গেজেট প্রকাশ করা হয়ে গেছে।