প্রতীকী ছবি
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ ও সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় একই সময়ে পৃথক দুটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার বাদুড়গাছা গ্রামের আব্দুল জব্বার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে তাবাসুম (৪) নামের ওই শিশুর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করা হয় এবং একই সময়ে কামারখন্দের কাজীপুরা গ্রামের হুড়াসাগর নদীর পাড় থেকে স্বপন (৩৮) নামে এক কৃষকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, নিখোঁজের একদিন পর সাড়ে ৪ বছরের এক কন্যা শিশুর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। শিশুটি মহেশপুর উপজেলার ভৈরবা এলাকার নজরুল ইসলাম ও হালিমা খাতুনের সন্তান। নজরুল ইসলাম পেশায় দর্জি ও তার স্ত্রী হালিমা খাতুন ওয়েব ফাউন্ডেশনে চাকরি করেন।
শিশুটির পরিবার জানায়, বুধবার দুপুর থেকে শিশুটি নিখোঁজ ছিলো। পরিবারের লোকজন বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার সকালে বাদুড়গাছা গ্রামের এক কৃষক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পেছন দিক দিয়ে মাঠে যাওয়ার সময় একটি রক্তমাখা বস্তা দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে বস্তা খুলে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
কালীগঞ্জ থানার ওসি জিল্লাল হোসেন জানান, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। ঘটনায় জড়িতদের আইনে আওতায় আনতে কাজ করছে পুলিশ।
এদিকে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে স্বপন (৩৮) নামে এক কৃষকের মরদেহ উদ্ধারে তথ্য জানিয়েছে পুলিশ।
স্থানীয় ও পুলিশের বরাতে জানা যায়, নিহত স্বপন ওই গ্রামের মৃত আকবর আলীর ছেলে। সকালে সরিষা কাটার কথা বলে বড়ি থেকে বের হন স্বপন। পরে নদীর পাড়ে গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে তার পরিবারকে খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে স্থানীয় ও পরিবারের কাছে খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করেন স্থানীয়রা। পারিবারিক কলহের জেরে অভিমানে ওই যুবক আত্মহত্যা করেছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।
কামারখন্দ থানার ওসি শাহীন আকন্দ জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।