ফাইল ছবি
বাংলাদেশ থেকে গত মাসে বিশ্ববাজারে ৩৪৯ কোটি ৫২ লাখ ৭০ হাজার ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে রপ্তানি হয়েছিল ৩৯৭ কোটি ৩১ লাখ ৪০ হাজার ডলারের পণ্য। এক বছরের ব্যবধানে ফেব্রুয়ারিতে পণ্য রপ্তানি কমেছে ১২ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ। সোমবার রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত প্রতিবেদন ও বিজ্ঞপ্তি থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
ইপিবি জানিয়েছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে বাংলাদেশের পণ্য রফতানি ৩ হাজার ১৯০ কোটি ৫৭ লাখ ৯০ হাজার ডলারে পৌঁছেছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ের ৩ হাজার ২৯৪ কোটি ২৬ লাখ ৬০ হাজার ডলারের তুলনায় ৩ দশমিক ১৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। হ্রাসের এ হারকে ‘সামান্য’ উল্লেখ করে বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জের মধ্যেও সার্বিক চিত্র রফতানি খাতের স্থিতিশীলতাকে নির্দেশ করছে বলে জানিয়েছে ইপিবি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, সামগ্রিক রপ্তানি সামান্য হ্রাসের কারণ হিসেবে বন্দর কার্যক্রম ব্যাহত, জাতীয় নির্বাচন ও প্রধান বাজারগুলোয় বৈশ্বিক চাহিদার মন্দার মতো সাময়িক বিষয়গুলোকে চিহ্নিত করা যেতে পারে।
চলতি অর্থবছরের ৮ মাসে তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানি হয়েছে ২ হাজার ৫৭৯ কোটি ৬১ লাখ ৩০ হাজার ডলারের। যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩ দশমিক ৭৩ শতাংশ কম। এ খাতে ওভেন পোশাকের তুলনায় নিটওয়্যার শক্তিশালী পারফরম্যান্স অব্যাহত রেখে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে।
উৎসাহব্যঞ্জক উল্লেখ করে ইপিবি জানিয়েছে, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, হালকা প্রকৌশল এবং হিমায়িত মাছসহ বেশ কয়েকটি প্রধান খাত বছরওয়ারি ভিত্তিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে, যা বাংলাদেশের রপ্তানি বাস্কেট বৈচিত্র্যকরণের প্রতিফলন।
ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, রপ্তানি গন্তব্যের ক্ষেত্রে ৫৮৭ কোটি ৪১ লাখ ৩০ হাজার ডলারের পণ্য নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বৃহত্তম রফতানি বাজার হিসেবে অক্ষুণ্ণ রয়েছে এবং শূন্য দশমিক ৭৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। উল্লেখযোগ্যভাবে প্রধান গন্তব্যগুলোর মধ্যে চীন সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। প্রবৃদ্ধির হার ১৯ দশমিক ১২ শতাংশ।