বাগেরহাটের কচুয়ায় এক গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামিকে ধরার পর পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে তাকে ছিনিয়ে নিয়েছে সহযোগীরা। বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার মঘিয়া ইউনিয়নের খলিশাখালী গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
ছিনিয়ে নেওয়া আসামির নাম নাদিম শেখ। সে খলিশাখালী গ্রামের মৃত গফফার শেখের ছেলে। পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালের একটি দস্যুতা মামলায় নাদিমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। এছাড়া এলাকায় মারধর, চাঁদাবাজি ও দখলসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
এই হামলায় আহত পুলিশ সদস্যের নাম রাজু খান। তিনি কচুয়া থানায় কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নাদিমকে গ্রেপ্তার করতে এসআই আনিচুর রহমান ও এএসআই ইমদাদুল ইসলামের নেতৃত্বে ৭ সদস্যের একটি দল তার বাড়িতে অভিযান চালায়। পুলিশ তাকে আটক করে নিয়ে আসার সময় তার ছোট ভাই সাগর শেখ দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। মূলত নাদিমকে ছিনিয়ে নিতেই সাগর কনস্টেবল রাজু খানকে লক্ষ্য করে কোপ দেয়। এতে রাজুর ডান হাত গুরুতর জখম হয়। এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে নাদিম ও সাগর দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
আহত কনস্টেবল রাজু খানকে তাৎক্ষণিকভাবে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শফিকুর রহমান বলেন, পুলিশ অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত নাদিমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। যখন তাকে নিয়ে আসছিল, তখন তার ভাই অতর্কিত হামলা করে আমাদের পুলিশ সদস্যদের ওপর। এতে পুলিশ সদস্য রাজু খান গুরুত্বর জখম হন। অপরাধিদের আটক করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।