লস্কর-ই-তৈয়বার গ্রেপ্তারদের ৭ জন বাংলাদেশি : ভারতীয় সংবাদমাধ্যম

: বিশ্বপরিস্থিতি ডেস্ক
প্রকাশ: ৪৪ minutes ago

পাকিস্তানি চরমপন্থি গোষ্ঠী লস্কর-ই-তৈয়বার আট সদস্যকে ভারতের বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের  পর দেশটির পুলিশ বলছে, তাদের সাতজনই বাংলাদেশি। এ দলের নেতা শাব্বির আহমেদ লোনকেও গ্রেপ্তারের তথ্য পুলিশের বরাতে দিয়েছে ভারতের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম; যাতে বলা হয়েছে এ ব্যক্তি বাংলাদেশে পালিয়ে ছিলেন। দুই মাস ধরে চালানো এক অভিযানে এদের বাংলাদেশ সীমান্ত, কলকাতা, দিল্লি এবং তামিলনাড়ু থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে সাতজন বাংলাদেশির পরিচয় প্রকাশ করা হয়। তারা হলেন বগুড়ার মিজানুর রহমান (৩২), জাহিদুল ইসলাম (৪০), মোহাম্মদ লিটন (৪০), মোহাম্মদ উজ্জ্বল (২৭) ও উমর ফারুক (৩২), ঝালকাঠির মো. শাফায়েত হোসাইন (৩৪) ও ঠাকুরগাঁওয়ের রবিউল ইসলাম (২৭)।

গ্রেপ্তারদের স্থান থেকে পুলিশ ১০টি মোবাইল ফোন, ২৫টি ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড, ৫টি পয়েন্ট অব সেল (পজ) মেশিন, বাংলাদেশি পাসপোর্ট এবং বেশ কিছু পোস্টার উদ্ধার করেছে।

কাশ্মীরের শ্রীনগরের বাসিন্দা শাব্বির আহমেদ লোনকে ২০০৭ সালে দিল্লি পুলিশ একে-৪৭ রাইফেল ও গ্রেনেডসহ গ্রেপ্তারের কথা বলেছিল। তিনি জামিনের আগে ২০১৮ সাল পর্যন্ত তিহার কারাগারে ছিলেন।

পুলিশের দাবির বরাতে এনডিটিভি ও টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, এরপর তিনি বাংলাদেশে পালিয়ে ছিলেন। সেখান থেকে নেপাল সীমান্ত দিয়ে ভারতে ঢুকেন।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, লোনকে বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যিনি ঢাকার কাছের একটি আস্তানা থেকে লস্করের একটি সেল পরিচালনা করছিলেন।

পাকিস্তানি চরমপন্থি গোষ্ঠী লস্কর-ই-তৈয়বা যুক্তরাষ্ট্রের ‘বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন’ তালিকায় রয়েছে। এটির বিরুদ্ধে ভারতের পাশাপাশি পশ্চিমে বিভিন্ন হামলার পরিকল্পনার অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে ২০০৮ সালের নভেম্বরে মুম্বাইতে তিন দিনের প্রাণঘাতী হামলাও রয়েছে।

২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলায় নিহতের ঘটনায় পাকিস্তানি সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই এর পাশাপাশি লস্কর-ই-তৈয়বার যোগসাজশের ইঙ্গিত থাকার কথা ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির (এনআইএ) প্রাথমিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে বলে জানিয়েছিল এনডিটিভি।

সূত্র : বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

  • গ্রেপ্তার
  • বাংলাদেশি
  • লস্কর-ই-তৈয়বা
  • #