প্রতীকী ছবি
নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে গলাকাটা অবস্থায় অংকিত বর্মণ নামের তিন বছর বয়সী এক শিশুর লাশ উদ্ধারের খবর পাওয়া গেছে। আজ সোমবার উপজেলার বরান্তর গ্রাম থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। শিশুটি ওই গ্রামের সাগর বর্মণের ছেলে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সাগর বর্মণ পরিবারসহ রাজধানীর একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। শিশুটির দাদি বিশু রানি বর্মণও ঢাকায় ছেলের বাসায় থাকেন। সেখানে তিনি নাতিকে দেখাশোনা করেন। গত মঙ্গলবার দুপুরে দাদির সঙ্গে অংকিত বর্মণ বরান্তর গ্রামে বাড়িতে আসে।
সোমবার দুপুরে বাড়ির উঠানে খেলা করছিল অংকিত। পরিবারের লোকজন কাজের জন্য বাড়ির বাইরে চলে যান। দাদিও পাশের বাড়িতে যান। কিছু সময় পর ফিরে এসে অংকিত বর্মণকে খুঁজতে থাকেন তার দাদি।
একপর্যায়ে পাশের বাড়ির ঘরের ভেতর বিছানায় গলাকাটা অবস্থায় অংকিতকে দেখতে পান তিনি। দ্রুত উদ্ধার করে বরান্তর বাজারে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান। খবর পেয়ে চাচা সোহাগ বর্মণ গিয়ে অংকিতকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। কর্তব্যরত চিকিৎসক অংকিতকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে নিহত অংকিতের চাচা সোহাগ বর্মণ বলেন, এই ঘটনায় আমরা হতবাক হয়ে গেছি। আমরা বাড়ির আশপাশে কাজ করছিলাম। আর মা অংকিতকে রেখে পাশের বাড়িতে গিয়েছিলেন। কিছুক্ষণ পর ফিরে এসে অংকিতকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। একপর্যায়ে পাশের বাড়িতে আমার বাবার মামাতো ভাই সুকুমার বর্মণের ঘরে গলাকাটা অবস্থায় অংকিতকে পাওয়া যায়। খবর পেয়ে তাকে নিয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসি। চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আমরা এই ঘটনার সঠিক বিচার চাই।
মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে অংকিতের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শনের জন্য রওনা হয়েছি। তদন্ত করে দ্রুত ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করা হবে।