প্রতীকী ছবি
পাবনার ঈশ্বরদীতে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধের জেরে ইমরান হোসেন সোহাগ (২৫) নামের এক যুবককে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষ। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ১০টার দিকে ঈশ্বরদী শহরের সাঁড়া গোপালপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত ইমরান উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের বাঘইল মন্নবীপাড়া গ্রামের এনামুল হকের ছেলে। তিনি উপজেলা ছাত্রদলের প্রস্তাবিত কমিটির সদস্যসচিব এবং জিয়া সাইবার ফোর্সের উপজেলা শাখার সদস্যসচিব ছিলেন। এছাড়া গত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি নেতা জাকারিয়া পিন্টুর ছোট ভাই মেহেদী হাসানের সমর্থক হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি।
পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রাতে বন্ধুদের সঙ্গে সাড়া গোপালপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের একটি চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছিলেন ইমরান। ওই সময় অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে প্রতিপক্ষের একদল সশস্ত্র লোক এসে তার সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে আগে থেকে পরিকল্পনা করে রাখা হামলাকারীরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে ও এলোপাতাড়ি কোপাতে শুরু করে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এলাকা ছাড়ার সময় হামলাকারীরা কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ঈশ্বরদী সার্কেল) প্রণব কুমার জানান, নিহতের মাথার একটি অংশ ক্ষতবিক্ষত হয়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গুলি করার পর তাকে কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। পুলিশ আরও জানায়, মরদেহে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করতে এবং জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।