সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফাইন্যান্সিয়াল করপোরেশনসহ স্বশাসিত সংস্থাগুলোয় সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ এ বয়সসীমা কার্যকর। সেই সঙ্গে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ সংশোধনকল্পে আনীত বিলটিও পাস হয়েছে গতকালের সংসদে। রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পেলেই বিল দুটি আইনে পরিণত হবে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বিল দুটি গতকাল সংসদে উত্থাপন করেন। সে সময় সরকারি দলের সংসদ সদস্যদের কণ্ঠভোটে তা পাস হয়। তবে বিরোধী দলের সদস্যরা কণ্ঠভোটে অংশ নেওয়া থেকে বিরত থাকেন।
এ আইন অনুযায়ী, বিসিএসের সব ক্যাডারে ও ক্যাডার-বহির্ভূত সব সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা হবে ৩২ বছর। এছাড়া স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফাইন্যান্সিয়াল করপোরেশনসহ স্বশাসিত সংস্থাগুলোর চাকরির সব পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রেও বয়সসীমা ৩২ বছর হবে।
অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৫ সালে সরকারি চাকরি আইন সংশোধন করে অধ্যাদেশ জারি করেছিল। পরে আবার সেটায় সংশোধনী এনে অধ্যাদেশ করা হয়েছিল। ওই দুটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে আনা সংশোধনী হুবহু রেখে ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) বিল ২০২৬’ সংসদে তোলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারী। আলোচনা ছাড়াই বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়