আরেকটি হত্যা মামলায় সাবেক সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ও লালমনিরহাট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. নুরুজ্জামান আহমেদকে (৭০) গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হক গ্রেপ্তার দেখানো নির্দেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে জুবাইদ ইসলাম নামের একজন নিহত হওয়ার ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা হত্যা মামলায় নুরুজ্জামানকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
নুরুজ্জামানকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার এসআই আব্দুল করিম তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত ওই আবেদন মঞ্জুর করেন। পরে তাকে আবার কারাগারে পাঠানো হয়।
গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেছেন, এ মামলার তদন্তে প্রাপ্ত সন্দেহভাজন আসামি মো. নুরুজ্জামান আহমেদ। তিনি এই ঘটনায় জড়িত ছিলেন বলে সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। এ কারণে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো প্রয়োজন।
প্রসঙ্গত, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী সরকার ক্ষমতাচ্যুতের পর ২০২৫ সালের ৩০ জানুয়ারি রংপুর থেকে নুরুজ্জামান আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন ৩১ জানুয়ারি শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান মুন্না হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাঁকে রংপুর আদালতে নেওয়া হয়। তাঁকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে দেওয়া হয়। এরপর থেকে কারাগারে আটক রয়েছেন তিনি।
এ বছর ১৮ ফেব্রুয়ারি জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা মামলায় নুরুজ্জামানকে গ্রেপ্তার দেখান ঢাকার সিনিয়র বিশেষ আদালত।
নুরুজ্জামানের আইনজীবী ফয়সাল কামাল রঞ্জু নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর পর বলেন, দুই মামলায় তিনি হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন। জামিননামা কারাগারে পৌঁছানোর পর তাকে নতুন করে গ্রেপ্তার দেখানো হলো।