কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৩২ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাতে কলেজ ক্যাম্পাসে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ক্যাম্পাসে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও ডিবি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দিনে দেয়াল লিখন নিয়ে ছাত্রদল এবং ছাত্রশিবিরের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এ ঘটনায় রাতে ‘গুপ্ত’ বলাকে কেন্দ্র করে হঠাৎ করে দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় লাঠিসোটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে উভয় গ্রুপ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে ছাত্রশিবিরের ২০ জন এবং ছাত্রদলের ১২ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়। এ সময় আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার পর পুরো ক্যাম্পাসে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
আহতরা হলেন মেকানিক্যাল টেকনোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো. জাফর ইকবাল, সাংবাদিক খালিদ, আবু রজিন, শুভ, মারুফ, তুহিন প্রমুখ।
অধ্যক্ষ মুহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, এখানে দুগ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। আমার কক্ষে হামলা হয়েছে এবং আমরা এটা প্রতিহত করার চেষ্টা করেছি। জাফর স্যারের ওপর হামলা হয়েছে কিনা আমি জানি না। আমরা পুলিশকে খবর দিয়েছি নিরাপত্তার জন্য।
দক্ষিণ সার্কেলের এএসপি মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস বলেন, পলিটেকনিকে ছাত্রদল এবং ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার কারণগুলো আমরা খতিয়ে দেখছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। আমি নিজেও ঘটনাস্থলে রয়েছি। পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে।