ঢাকার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ এলাকায় ডাকাতির পর মুকুল হোসেন ওরফে চকলেট নামে এক অটোরিকশাচালককে হত্যার দায়ে পাঁচ ডাকাতকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এ.বি.এম.আশফাক-উল হক এ রায় ঘোষণা করেছেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন ডাকাত দল নেতা সোহেল ওরফে জুয়েল, শাহিন হাওলাদার, সুমন ওরফে আল আমিন, কবির ও ফেরদৌস ওরফে বারেক।
সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মো. আবু সেলিম চৌধুরী বলেন, মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেক আসামিকে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
রায় ঘোষণার আগে শাহিন ও ফেরদৌসকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় শেষে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। অপর তিন আসামি পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। মামলার পাঁচ আসামি অলি আহম্মেদ, শাহ জাহান মুন্সী, হাসান হাওলাদার, জাহাঙ্গীর ও কবিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় তারা খালাস পেয়েছেন।
প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ২৭ জুন কেরাণীগঞ্জের আটি পাঁচদানা করিম হাজী গ্রামের বাড়ি থেকে দুপুর আড়াইটার দিকে বের হয়েছিলেন মুকুল। সেদিন রাত হয়ে গেলেও বাসায় ফেরেননি তিনি। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর রাত দেড়টার দিকে অটোরিকশার মালিক মুকুলের পরিবারকে ফোন করে জানায়, মুকুল যে অটোরিকশা চালাতেন সেটি মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যান এলাকার একটি গ্যারেজে পড়ে আছে। সেই গ্যারেজে সাড়ে ৫ হাজার টাকা দিয়ে রিকশাটি নিয়ে আসে মুকুলের পরিবার। তবে মুকুলকে তারা খুঁজে পাননি। পরদিন সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কেরাণীগঞ্জের কোনাখোলা-রাজবাড়ীগামী রাস্তার বার্তা ব্রিজ এলাকায় মুকুলের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়। এরপর মুকুলের ছোট ভাই আবু হানিফ মামলা করেন।