২০২৫ সালে ঢাকার সড়কে ৪০৯টি দুর্ঘটনায় ২১৯ জন নিহত হয়েছেন। এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ৫১১ জন। নিহতদের মধ্যে পুরুষ রয়েছেন ১৭৬ জন, নিহতের ৮০ দশমিক ৩৬ শতাংশ, নারী রয়েছেন ২৫ জন, ১১ দশমিক ৪১ শতাংশ এবং শিশু ১৮ জন, যা ৮ দশমিক ২১ শতাংশ। বুধবার (২১ জানুয়ারি) রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহতদের মধ্যে পথচারী ৪৭.০৩ শতাংশ, মোটরসাইকেলচালক ও আরোহী ৪৩.৩৭ শতাংশ এবং বাস, রিকশা, সিএনজি ইত্যাদি যানবাহনের চালক ও আরোহী ৯.৫৮ শতাংশ।
দুর্ঘটনার সময় বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ভোরে ১১.২৪ শতাংশ, সকালে ১৮.৩৩ শতাংশ, দুপুরে ৯.৫৩ শতাংশ, বিকেলে ১৩.৪৪ শতাংশ, সন্ধ্যায় ৫.৮৬ শতাংশ ও রাতে ৪১.৫৬ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
যানবাহনগুলোর মধ্যে বাস ২৪.৮৭ শতাংশ, ট্রাক-কাভার্ড ভ্যান-পিকআপ-ট্যাংকার-ময়লাবাহী ট্রাক ৩৫.১৪ শতাংশ, মোটরসাইকেল ২১.৫৩ শতাংশ, মাইক্রোবাস-প্রাইভেটকার-জীপ ৪.১২ শতাংশ, থ্রি-হুইলার (অটোরিকশা-সিএনজি-লেগুনা) ১১.৮২ শতাংশ এবং রিকশা ২.৪৮ শতাংশ।
দুর্ঘটনার সার্বিক দিক পর্যবেক্ষণ করে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন বলছে, রাজধানীতে যানবাহন পরিচালনায় চরম অব্যবস্থাপনার কারণে যানজট ও সড়ক দুর্ঘটনা ক্রমাগতভাবে বাড়ছে।
রাজধানীর যাত্রাবাড়ি, ডেমরা, মোহাম্মদপুর, কুড়িল বিশ্বরোড এবং বিমানবন্দর সড়ক দুর্ঘটনার হটস্পট হয়ে উঠেছে।