লক্ষ্মীপুরে নিখোঁজের ৮ দিন পর হাত-পা বাঁধা অবস্থায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগকর্মী ফজলে রাব্বির (২১) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সাহেদ নামের এক ব্যক্তিকে ঢাকা থেকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
শনিবার উত্তর জয়পুর ইউনিয়নের চন্দ্রপ্রভাবাঘ গ্রামের শেখের বাড়ির এক প্রবাসীর ফাঁকা ঘরের টয়েলেটের ট্যাংক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। তবে কী কারণে, কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তা এখনো জানা যায়নি।
নিহত রাব্বি হাজিরপাড়া ইউনিয়নের পূর্ব আলাদাদপুর গ্রামের সৈয়দ মিয়া পাটওয়ারী বাড়ির বেল্লাল হোসেনের ছেলে। তিনি চন্দ্রগঞ্জ কফিল উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের ছাত্র এবং ছাত্রলীগকর্মী ছিলেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছে।
থানা পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানায়, রাব্বি ১৬ জানুয়ারি রাতে চন্দ্রগঞ্জ থেকে উত্তর জয়পুর ইউনিয়নের চৌপল্লী বাজার আসে। এর পর থেকে তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
পরদিন তার বাবা বেল্লাল চন্দ্রগঞ্জ থানায় নিখোঁজ ডায়েরি (জিডি) করেন। ঘটনার সময় চন্দ্রপবাহবাঘ গ্রামের শেখের বাড়ির ট্যাংকের ভেতর থেকে দুর্গন্ধ ছড়াতে থাকে। পরে সেখানে যুবকের হাত-পা বাঁধা মরদেহ দেখতে পাওয়া যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহতের চাচা মো. সোহরাওয়ার্দী বলেন, ‘ভাতিজা রাব্বি ৮ দিন নিখোঁজ ছিল। স্থানীয়রা গন্ধ এবং মাছি উড়তে দেখে খবর দেয়। পরে আমরা এসে ঘটনাস্থলে এসে ফাঁকা বাড়ির ট্যাংকের ভেতর রাব্বির মরদেহ দেখি। কী কারণে, কারা তাকে হত্যা করেছে তা এখনই বলতে পারছি না।’
এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী জানান, ঘটনাস্থল থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।