নওগাঁয় বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ১০

: যথাসময় ডেস্ক
প্রকাশ: ৬ ঘন্টা আগে

নওগাঁয় নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের সংঘর্ষে দুইপক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। সমঙ্গলবার বিকেলে নওগাঁ সদর উপজেলার মাখনা কোমলগোটা গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

আহত জামায়াতের ৪ জন এবং বিএনপির একজন কর্মী নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বাকিরা স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন।

জামায়াতের আহত কর্মীরা হলেন হাসাইগাড়ী ইউনিয়নের কাটখইড় গ্রামের মো. হাসান (৩৮), একই এলাকার জাহিদ হাসান (২৫), হাসাইগাড়ী গ্রামের মো. মোস্তাফিজুর (৫৮) এবং চকরামপুর গ্রামের রুস্তম আলী (৪০)।

হাসপাতালে ভর্তি আহত বিএনপি কর্মীর নাম রাকিব হাসান (২০)। তার বাড়ি হাঁসাইগাড়ি ইউনিয়নের গোপাই গ্রামে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রচারণার অংশ হিসেবে জামায়াতের প্রার্থী আ স ম সায়েম সদর উপজেলার হাঁসাইগাড়ী ইউনিয়নের মাখনা কোমলগোটা গ্রামে যান। সেখানে জামায়াতের কর্মী শহীদ মোল্লার বাড়িতে দুপুরের খাবারের আয়োজন করা হয়েছিল। ওই এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণা শেষে নওগাঁ-৫ (সদর) আসনের জামায়াত প্রার্থী আ স ম সায়েমসহ কর্মী-সমর্থকরা অপেক্ষা করছিল। এ সময় গোপাই গ্রামের বিএনপির কর্মী সমর্থকরা তাদের খাবারের ভিডিও ধারণ করে। জামায়াতের সমর্থকরা ভিডিও ধারণে বাধা দিলে দুইপক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়।

খবর পেয়ে হাঁসাইগাড়ী ইউনিয়নের বিএনপি নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে জামায়াত নেতাকর্মীদের ঘরবন্দি করে রাখে। পরে থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনী গিয়ে তাদের উদ্ধার করে।

এ বিষয়ে নওগাঁ সদর উপজেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিম বলেন, গণসংযোগ শেষে বিকেলে প্রার্থী সায়েম ভাই একটি বাড়িতে বিশ্রাম করছিলেন। এসময় বিএনপির সন্ত্রাসীরা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পাইপ নিয়ে অতর্কিত হামলা করে। হামলায় আমাদের ৮ জন কর্মী আহত হয়েছে। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে নওগাঁ জেলা বিএনপির সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিক নান্নু বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। জামায়াতের লোকেরা হামলা করে আমাদের দুইজনকে আহত করাসহ মোবাইল ভাঙচুর করেছে। বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে আমাদের ছেলেদের কাছ থেকে ঘটনার সত্যতা জানতে পারি।

এ বিষয়ে নওগাঁ সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিয়ামুল হক বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। যে যার মতো ঘটনাস্থল থেকে চলে গেছে। এ ঘটনায় কোনও পক্ষই অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • আহত
  • জামায়াত
  • নওগাঁ
  • বিএনপি
  • সংঘংর্ষ
  • #