দুই শতাধিক সহকারী রেজিস্ট্রারকে পদোন্নতি দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একসঙ্গে এই বিপুলসংখ্যক কর্মকর্তার পদোন্নতির উদ্যোগ যে নজিরবিহীন, তা স্বীকার করেছেন খোদ উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান।
প্রশাসনের কয়েকজন কর্মকর্তা হিসাব কষে বলছেন, এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেতন খাতে বছরে ব্যয় বাড়বে সাড়ে ৩ কোটি টাকা; প্রভাব পড়বে পেনশনেও।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী নিয়োগ ও পদোন্নতি নীতিমালা-২০২০ অনুযায়ী, সহকারী রেজিস্ট্রারের অনুমোদিত মোট পদের এক-তৃতীয়াংশকে ডেপুটি রেজিস্ট্রার হিসেবে পদোন্নতি দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
একাধিক কর্মকর্তা জানান, বর্তমানে রেজিস্ট্রার দপ্তরে অনুমোদিত সহকারী রেজিস্ট্রারের পদের সংখ্যা ১২। সেখানকার এক-তৃতীয়াংশ, অর্থাৎ বছরে ৪ জন করে পদোন্নতি পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। এ দপ্তরের বাইরে সহকারী রেজিস্ট্রার সমমানের পদ আছে ৫১টি, যেখান থেকে ১৭ জনকে পদোন্নতির সুযোগ রয়েছে।
সবমিলিয়ে বছরে ২১ জন সহকারী রেজিস্ট্রারকে পদোন্নতি দেওয়ার সুযোগ রয়েছে জানিয়ে তারা বলছেন, ২১ জনের বিপরীতে ২০৭ জনকে পদোন্নতি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে নতুন ‘বৈষম্য’ সৃষ্টি করবে।
জানতে চাইলে উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান বলেন, সরকারের অন্যান্য অফিসের মত যদি কেউ বঞ্চিত হয়ে থাকেন, সেজন্য আমরা একবার নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে তাদের পদোন্নতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
এদিকে ভোটের দুইদিন আগে মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলন করে উপাচার্য পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছার কথা প্রকাশ করেছেন অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান বলেন, আমি এখন মনে করছি যে, এটি একটি দায়িত্ব পালনের পর্বে আমরা একটি ভালো পর্যায়ে এসেছি এবং আমি সরে দাঁড়াতে চাই।