প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে ফোনালাপ, সেপটিক ট্যাংকে মিলল যুবকের লাশ

: যথাসময় ডেস্ক
প্রকাশ: ১২ ঘন্টা আগে
প্রতীকী ছবি

ভোলার দৌলতখানে তিন দিন নিখোঁজ থাকার পর প্রবাসীর বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে মোবাইলে কথা বলার সূত্র ধরে তার লাশের সন্ধান পাওয়া যায়। শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুরে ওই ইউনিয়নের নায়েব বাড়ির প্রবাসী পানির ট্যাংক থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত লিটন (৩৩) উপজেলার চর খলিফা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের নায়েব বাড়ির হারুনের ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১০ মার্চ রাতে লিটন বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। বিষয়টি থানায় জানানো হলে পুলিশ তার মোবাইল ফোন ট্র্যাকিং শুরু করে। ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে জানা যায়, নিখোঁজ হওয়ার আগে প্রবাসী মুসলেউদ্দিনের স্ত্রী ইয়াসমিনের সঙ্গে তার মোবাইলে প্রায় ৪০ মিনিট কথা হয়েছিল।

এরই সূত্র ধরে ১৩ মার্চ ফায়ার সার্ভিস সদস্যদের সহযোগিতায় প্রবাসী মুসলেউদ্দিনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ। এ সময় বাড়ির বাথরুমের ট্যাংকির ভেতর থেকে লিটনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

লোমহর্ষক এ ঘটনা এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে প্রবাসীর বাড়িতে উৎসুক জনতার ভিড় জমে। প্রবাসীর বাড়িতে গিয়ে তার ঘর তালাবদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। ইয়াসমিন ঘরে তালা দিয়ে পালিয়ে গেছেন।

নিহত লিটনের স্ত্রী রিনা জানান, গত ১০ মার্চ রাতে তার স্বামী লিটন বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। পরে পুলিশের সহায়তায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি বলেন, যারা আমার স্বামীকে হত্যা করে আমাকে বিধবা ও আমার সন্তানদের এতিম করেছে, আমি তাদের ফাঁসি চাই। নিহতের মা সাজেদা তার ছেলের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। তদন্ত করা হচ্ছে, হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের প্রস্তুতি চলছে।

  • প্রবাসীর স্ত্রী
  • ফোনালাপ
  • লাশ
  • সেপটিক ট্যাংক
  • #