মাদক কারবারে জড়িত এক পরিবারের ৭ জনের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে মামলা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডি। ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৫ কোটি ১৭ লাখ ২৭ হাজার ৩৭৭ টাকা আসামিরা নিজেদের ব্যাংক হিসেবে লেনদেন করেছে বলে অভিযোগ করা হয়। সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সিআইডি বলেছে, টঙ্গী পূর্ব থানায় রোববার ওই মামলা হয়েছে।
আসামিরা হলেন মো. আব্দুল আউয়াল (৬৫), তার তিন মেয়ে আসমা খাতুন (৪৩), রেশমা খাতুন (৩৯) এবং লিজা বেগম ওরফে লিপি আক্তার (৩১), আসমার স্বামী মানিক মিয়া (৩৬), লিপি আক্তারের স্বামী কামাল হোসেন (৩৩) এবং পূত্রবধু জাহানারা বেগম (৩৩)। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পারিবারিক এ চক্রটির মাদক কারবারের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ ব্যাংকিং চ্যানেলে লেনদেন করার তথ্য সিআইডির অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।
সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক মামলা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৫ কোটি ১৭ লাখ ২৭ হাজার ৩৭৭ টাকা আসামিরা নিজেদের ব্যাংক হিসেবে লেনদেন করেছেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।
সিআইডি বলছে, দেশের বিভিন্ন থানায় আসমার বিরুদ্ধে তিনটি, রেশমার বিরুদ্ধে ১০টি, লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে সাতটি, মানিক মিয়ার বিরুদ্ধে পাঁচটি মাদকের মামলার তথ্য মিলেছে। তাদের কোনো বৈধ আয়ের উৎস না থাকা সত্ত্বেও তাদের ব্যাংক হিসাবে বিপুল অর্থ লেনদেন হয়েছে এবং মাদক কারবার থেকে অর্জিত অর্থ স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে তারা মানি লন্ডারিং করেছেন। মামলায় সবার বর্তমান ঠিকানা গাজীপুরের মাস্টারবাড়ী হলেও গৃহকর্তা আউয়ালের বাড়ি চাঁদপুরে।