জ্বালানি সংকটে তা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে বিদ্যুৎ বিভাগ। এর মধ্যে বড় দুঃসংবাদ ভারতের আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ। এর ফলে এ ঘাটতি আরও বেড়ে লোডশেডিং বাড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
পিডিবির এক কর্মকর্তা জানান, কারিগরি ত্রুটির কারণে আদানির একটি ইউনিট থেকে উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় তেলচালিত কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো হচ্ছে।
আদানির সূত্র জানিয়েছে, মঙ্গলবার মধ্যরাতের পর বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিটের বিয়ারিং থেকে সতর্ক সংকেত পাওয়া যায়। বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে তাৎক্ষণিকভাবে ওই ইউনিটে উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া হয়। মেরামত কাজ শেষ হতে তিন থেকে চারদিন সময় লাগতে পারে।
গত মঙ্গলবার রাত ১২টায় আদানি থেকে এক হাজার ৪৯৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া গেলেও রাত ২টায় তা নেমে আসে ৭৬৪ মেগাওয়াটে। গতকাল বিকালে তা আরও কমে প্রায় ৭৪৬ মেগাওয়াটে দাঁড়ায়।
আদানির সরবরাহ কমে যাওয়ায় বিশেষ করে রাজশাহী ও রংপুর অঞ্চলে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। কোথাও কোথাও লোডশেডিং ১০ থেকে ১১ ঘণ্টা পর্যন্ত পৌঁছানোর খবর পাওয়া গেছে।
পিডিবির দেওয়া তথ্যমতে, বুধবার দিনে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ চাহিদা ছিল প্রায় ১৫ হাজার ৬৯০ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে জ্বালানি সংকট ও উৎপাদন ঘাটতির কারণে প্রায় আড়াই হাজার মেগাওয়াট ঘাটতি ছিল বিদ্যুৎ।