পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির ৭২টি ধারার মধ্যে ইতোমধ্যে ৬৫টি সম্পূর্ণরূপে এবং ৩টি আংশিকভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে। এছাড়া আরও ৪টি ধারা বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে চলমান আদিবাসী-সংক্রান্ত জাতিসংঘের স্থায়ী ফোরামে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ।
গতকাল বুধবার জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে জানানো হয়, আদিবাসী-সংক্রান্ত জাতিসংঘের স্থায়ী ফোরামের অধিবেশনে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান নানা বিষয় তুলে ধরেন। এর মধ্যে ১৯৯৭ সালে করা পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের উন্নয়ন এবং তাদের অনন্য বৈশিষ্ট্যপূর্ণ সংস্কৃতি, ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও বিকাশে সরকারের নেওয়া কার্যক্রম রয়েছে।
জাতিসংঘ সদরদপ্তরে ২০ এপ্রিল থেকে ১ মে পর্যন্ত দুই সপ্তাহব্যাপী আদিবাসী-সংক্রান্ত জাতিসংঘের স্থায়ী ফোরামের ২৫তম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ সভায় পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করছে। প্রতিনিধি দলে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমাসহ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পার্বত্য ও সমতল অঞ্চলের উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা ও নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা রয়েছেন।
জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের আওতায় আদিবাসী-সংক্রান্ত স্থায়ী ফোরাম বিশ্বব্যাপী আদিবাসীদের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে কাজ করে থাকে।
একই দিনে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত হয় পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তাররোধ চুক্তি (এনপিটি)-এর ১১তম পর্যালোচনা সম্মেলন। এ সম্মেলনে সাধারণ বিতর্কে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণে জোরালো পদক্ষেপ দাবি করেছে বাংলাদেশ। গতকাল পৃথক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন।