লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

লেখক: যথাসময় ডেস্ক
প্রকাশ: ৪ দিন আগে
প্রতীকী ছবি

লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলায় এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিন দিন পেরিয়ে গেলেও বুধবার (১ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত মামলা নেয়নি পুলিশ বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী ও তার পরিবার। এতে তারা চরম আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, ২৯ জুন সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত উপজেলার চরগাজী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী ও তার স্বামীর অভিযোগ, ঘটনার পরদিন তারা রামগতি থানায় লিখিত অভিযোগ দিতে গেলে পুলিশ মামলা নিতে টালবাহানা করে। টানা তিন দিন থানায় গেলেও মামলা নেওয়া হয়নি। পরে সাংবাদিকরা বিষয়টি জানতে চাইলে পুলিশ নড়েচড়ে বসে। এরপর ভুক্তভোগী পরিবারকে ডেকে লিখিত এজাহার গ্রহণ করা হয়।

অভিযুক্ত জাহিদ (২৮) ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার সাফুয়া গ্রামের গজারিয়া বাজার এলাকার বাসিন্দা। তিনি পেশায় ট্রাক্টর-ট্রলি চালক এবং ভুক্তভোগীর স্বামীর পূর্বপরিচিত।

ভুক্তভোগী গৃহবধূ ও তার করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ জুন সোমবার সন্ধা ৭টার দিকে জাহিদ হঠাৎ গৃহবধূর বসতঘরে প্রবেশ করে। তার স্বামীর পূর্বপরিচিত হওয়ায় জাহিদকে দেখে ওই গৃহবধূ চিনে ফেলে। এর পর ঘরের লাইট বন্ধ করে দিলে আর ৫ জন অপরিচিত লোক ঘরে প্রবেশ করে। এর পর ঘরের সকল দরজা জানালা বন্ধ করে দিয়ে ওই গৃহবধূর ৪ বছরের সন্তানের গলায় অস্ত্র ধরে ফিল্মি স্টাইলে তার হাত-পা ও রুমাল দিয়ে মুখ বেঁধে ৬ জন মিলে সংঘবদ্ধ গণধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ ও তার স্বামী।

ভুক্তভোগী গৃহবধূ ও তার স্বামী জানান, সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। একপর্যায়ে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। পরে অভিযুক্তরা চলে যায়। ঘটনার সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। তিনি ফেনীর দাগনদাগনভূঞা এলাকায় সিএনজি চালকের কাজ করছিলেন।

রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিটন দেওয়ান বলেন, অভিযোগের লিখিত এজাহার গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • গৃহবধূ
  • ধর্ষণ
  • রামগতি
  • লক্ষ্মীপুর
  • সংঘবদ্ধ