আগৈলঝাড়া থানায় হামলা ও পুলিশ সদস্যদের মারধরের ঘটনায় গ্রেপ্তার ১৮

লেখক: যথাসময় ডেস্ক
প্রকাশ: ৭ ঘন্টা আগে
প্রতীকী ছবি

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় আসামির মৃত্যুর গুজবে থানা ফটকে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের মারধর ও সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। আগৈলঝাড়া থানার এসআই ওমর ফারুক বাদী হয়ে ৪৩ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ২০০-৩০০ জন অজ্ঞাত আসামি করে ওই মামলা হয় বৃহস্পতিবার।

আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আরও জানান, মামলার পর পুলিশ এখন পর্যন্ত ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। পরিস্থিনি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ৮ জুলাই আগৈলঝাড়া ফিলিং স্টেশনের সামনে একটি চুরি মামলার আসামি মো. রিয়াজ ফকিকে (২৬) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আটক রিয়াজ ফকির আগৈলঝাড়া উপজেলার ফুল্লশী গ্রামের মো.ছিদ্দিক ফকিরের ছেলে।

গ্রেপ্তারের পর তাকে থানা হাজতে রাখা হলে তিনি শারীরিক অসুস্থতা প্রকাশ করেন। পুলিশ পাহারায় তাকে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক হাসপাতালে ভর্তি করেন এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আসামির পরিবার গুজব ছড়ায়, রিয়াজ মারা গেছে। এই গুজবের জেরে রিয়াজের বাবা সিদ্দিক ফকির, চাচা কাঞ্চন ফকির, দাদা হাসেম ফকির এবং মা নাসরিন বেগমসহ এলাকার আনুমানিক ২০০ থেকে ৩০০ জন উত্তেজিত নারী-পুরুষ লাঠিসোঁটা ও ইটপাটকেল নিয়ে থানার মূল ফটক ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে এবং ডিউটি অফিসারের কক্ষে ঢুকে কর্তব্যরত এএসআই মো. আব্দুল হালিমকে এলোপাতাড়ি মারধর ও টানা-হেঁচড়া করে।

এ সময় উত্তেজিত জনতা থানাকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে ডিউটি অফিসারের রুমে ভাঙচুর করে। এঘটনায় তিন পুলিশ সদস্য আহত হন।

  • আগৈলঝাড়া
  • গ্রেপ্তার
  • থানা
  • হামলা