প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা থাকলে আওয়ামী লীগসহ যেকোনো রাজনৈতিক দলের নেতা, কর্মী ও সমর্থকসহ যেকোনো ব্যক্তি দলীয় প্রতীক বাদ দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন—এমন বিধান রেখে নির্বাচন বিধিমালা ও আচরণবিধিমালার খসড়া চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বুধবার (১০ জুন) খসড়াটি চূড়ান্ত করা হয় বলে জানিয়েছে ইসি।
ইসি জানায়, শিগগিরই এটি কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। এরপর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপত্তি বা মতামত জানানো যাবে। বড় ধরনের আপত্তি না এলে খসড়াটি চূড়ান্ত করা হবে।
ইসি আরও জানায়, নির্দলীয় প্রতীকে নির্বাচন আয়োজনের আইন পাসের পর বিভিন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিধিমালায় পরিবর্তন আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ইউনিয়ন পরিষদসহ বিভিন্ন স্তরের নির্বাচন বিধিমালা সংশোধনের খসড়া তৈরি করা হয়েছে। খসড়া এখন জনমতের জন্য উন্মুক্ত থাকবে এবং পরবর্তী ধাপে তা চূড়ান্ত করা হবে।
ইসি কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, দলীয় প্রতীক ছাড়া স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিদ্যমান বিধিমালায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। সংশোধিত খসড়ায় বলা হয়েছে, প্রার্থী হওয়ার আইনগত যোগ্যতা পূরণ করলে যেকোনো নাগরিক নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ গণমাধ্যমকে বলেন, কোনো দলকে বাদ দেওয়ার মতো কোনো বিধান আচরণবিধিতে রাখা হয়নি। যেহেতু নির্বাচন নির্দলীয় হবে, প্রার্থী যিনি হবেন, যে পদে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন সেই পদে যদি তার যোগ্যতা থাকে, তাহলে তিনি নির্বাচন করতে পারবেন। এখানে আওয়ামী লীগ, জামায়াত বা বিএনপি—কোনোটাই বিবেচ্য হবে না।
